[ad_1]

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি বর্তমান সময়ে ২৫টিরও বেশী ভাগে বিভক্ত হয়েছে আধুনিক আবিষ্কার কে কাজে লাগিয়ে কেবলমাত্র রুগীদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত চিকিৎসা দিয়ে সম্পূর্ণ রুপে রোগমুক্তি দেয়ার জন্য। তাতে ক্লাসিকাল পদ্ধতি থেকে শুরু করে সেহগাল মেথড, কমপ্লেক্স হোমিও, ইলেকট্রো হোমিও ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রত্যেকেরই নিজস্ব ভিত্তি রয়েছে এবং কোননা কোন দিক দিয়ে রুগীকে সফল চিকিৎসা দিয়ে চলেছে। কেবলমাত্র ক্লাসিকাল পদ্ধতিকেই সঠিক বলা বাকিগুলো ঠিক না এটা বলা কেমন? ডাঃ হ্যানিমান এর সময় থেকে অনেক হোমিও ডাক্তার দের মতের অনেক পার্থক্য ছিল তবুও এখনও তারা হোমিও ডাক্তার হিসাবে সমাদৃত। এলোপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি হোমিও থেকে বহুগুণে এগিয়ে কারণ তাদের তারা নতুন আবিষ্কার গ্রহণ করেছে বা একজনের নীতির বিরুদ্ধ হলে তাকে এলোপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির বাইরে বলেনি বরং তাকে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তাই ভেবে দেখবেন। আমাদের উদ্দেশ্য যেন হয় যে মানুষের সেবা করা মানুষ যেন রোগ থেকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া রোগমুক্তি লাভ করে আর প্রথম থেকেই শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারে। সঠিক আর নেক নিয়াত থাকলে মানুষেরও ভালোবাসা পাবেন সৃষ্টিকর্তারও রহমত আপনার উপর বর্ষণ হবে। মনে দুঃখ নিবেন না,আপনি আপনার পদ্ধতিতে এগিয়ে যান,আমি আমার পদ্ধতিতে।[item_vid_embed]

[ad_2]

Source